সত্যিকার পীরের মুরীদ হতে মুত্তাকি হওয়া বাধ্যতামূলক



📚ফাওয়ায়েদুল ফাওয়াদ (নিজাম উদ্দীন আউলিয়ার মাজালিশ)
✍🏻খাজা আমীর উলা স্নজরী (রহঃ)
প্রথম মজলিস- ১
সত্যিকার পীরের মুরীদ হতে মুত্তাকি হওয়া বাধ্যতামূলক-
রবিবার ৩রা শাবান ৭০৭ হিজরী। আমি অধম গোনাহগার খাকছার এ দিন হযরত খাজা নিজামুদ্দিন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহির পদপল্লবে আত্মসমর্পণ করে তরীকায়ে চিশতীয়া গ্রহণ করলাম। হযরত খাজা তাঁর করুণার দ্বার আমার জন্য উন্মুক্ত করে আমায় গ্রহণ করলেন। তিনি তার পবিত্র হাত দ্বারা "কুল্লাহ চাহার তর্কী" (চার খন্ডে কাপড়ে তৈরী চিশতীয়া তরিকার বিশেষ টুপি) পরিয়ে দিলেন আমার মাথায়। তিনি নির্দেশ দিলেন, প্রতিদিন যথা নিয়মে যথা সময়ে ফরজ, সুন্নত ও নফল নামাজ আদায় করবে। তৎসঙ্গে ইশরাক, চাস্ত ও আওয়াবিনের নামাজও পাঠ করবে। প্রতি চান্দ্রমাসের ১৪ ও ১৫ তারিখে আইয়ামে বেজের রোজা রাখবে। তিনি বললেন, মুত্তাকি ও তাইয়েব (তওবাকারী) একই কথা। মোত্তাকি হচ্ছে সে ব্যক্তি যে জীবনে কখনও গোনাহ করে নি। আর তায়েব (তওবাকারী) সে ব্যক্তি যে গোনাহ করেছে কিন্তু তওবা করে পাপমুক্ত হয়েছে। এ উভয়েই পাপমুক্ত বিধায় সমান মর্যাদার অধিকারী।
হাদীস শরীফে আছে --
“যে গোনাহ হতে তওবা করে সে যেন কোন গুনাহই করেনি”।
এরপর বললেন, যে ব্যক্তি গোনাহ করার পর তওবা করে এবং নেক আমল করতে থাকে সে সব ভাল কাজেই আনন্দ পায়। এ পথে সামান্যতম শান্তি লাভ গুনাহের সমস্ত সাজ-সরঞ্জামকে জ্বালিয়ে দেয়।

পরবর্তী পর্ব
ইন্তেকালের পরেই প্রকৃত সূফীর বিকাশ ঘঠে--

Comments

Popular posts from this blog

কারামত - (আনা সাগরের পানি ছোট্ট পাত্রে চলে আসার রহস্য)

প্রকৃত সাধক তার উপযুক্ত মুরীদকেই সাজ্জাদানশীল করেন

মে’'রাজ (পর্ব- ১)