আল্লাহর রহমত

আল্লাহর রহমত—

📚তাম্বীহুল গাফেলীন ✍🏻আবুল লাইস সমরকন্দি (রহঃ)


"আমার অনুগ্রহ (রহমতসবকিছুকে পরিবেষ্টন করিয়া আছে"। এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ারপর অভিশপ্ত ইবলীস বলিতে থাকে যেআমিও তো সব কিছুর অন্তর্ভূক্ত। তাই সেও আল্লাহর অনুগ্রহ পাইবে বলিয়া ধারণা করিতে থাকে। অনুরূপভাবে ইহুদী খৃষ্টানরাও আল্লাহর অনুগ্রহের আশা করিতে থাকে। অতঃপর

"আমি উল্লেখিত অনুগ্রহ এমন সব লোকের উপর বর্ষিত করিব যাহারা শিরক হইতে বাঁচিয়াথাকেযাকাত আদায় করেএবং আমার আয়াত সমূহের উপর ঈমান রাখে"।

এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর অভিশপ্ত ইবলীস আল্লাহ হইতে নিরাশ হইয়া গেল। কিন্তু ইহুদী খৃষ্টানরা বলিতে লাগিলআমরা তো শিরক হইতে বাঁচিয়া থাকি এবং যাকাতও আদায় করি এবং আল্লাহ পাকের আয়াত সমূহের উপর ঈমান রাখি। অতঃপর- : "যাহারা উম্মী রাছুলকে অনুসরণ করে"।

অত্র আয়াতাংশ অবতীর্ণ হওয়ার পর ইহুদী-খৃষ্টানরাও নিরাশ হইয়া গেল। এখন শুধু মুমিন ব্যক্তিগণই ইহার অধিকারী হিসাবে অবশিষ্ট রহিল। 


প্রতিটি মুমিন ব্যক্তি আল্লাহ পাকের এই মহান অনুগ্রহের প্রতি-সীমাহীন কৃতজ্ঞ হওয়া চাই।


ইয়াহইয়া বিন মুয়ায রাযী রাদিআল্লাহু আনহু-এর দোয়া এবং আশা—


ইয়াহ্ইয়া বিন মুয়ায রাযী রাদিআল্লাহু আনহু বলিতেন-

(হে আল্লাহআপনি দুনিয়াতে রহমতের মাত্র এক অংশ অবতীর্ণ করিয়াছেন। ইহার দ্বারা ইসলামের ন্যায় মহামূল্য সম্পদ আমাদিগকে দান করিয়াছেন। যখন আপনি একশত রহমত অবর্তীণ করিবেন তখন আপনার কাছ থেকে ক্ষমা পাওয়ার আশা করিব না কেন?

(হে আল্লাহআপনার অনুগতদের জন্য আপনার পক্ষ হইতে সওয়াব নির্ধারিত রহিয়াছে।আর আপনার রহমত গোনাহগারদের জন্যআমি তো আপনার অনুগত না হওয়া সত্ত্বেও আপনার সওয়াব পাওয়ার আশা রাখি। তাহা হইলে গোনাহগার হইয়া আপনার রহমতেরআশা করিব না কেন?

(হে আল্লাহআপনি স্বীয় বন্ধুদের নিমন্ত্রণ করার জন্য বেহেশত প্রস্তুত করিয়াছেন।কাফেরদের ইহা হইতে নিরাশ  বঞ্চিত করিয়াছেন। ফিরিশতাদের তো বেহেশতের প্রয়োজনই নাই। আপনিও ইহার মুখাপেক্ষী নহেন। সুতরাং বেহেশত আমাদের ব্যতীত অন্য আর কাহার জন্য?


আল্লাহর রহমত হইতে কাহাকেও নিরাশ করিও না—


একদিন কোন এক সাহাবীকে হাসিতে দেখিয়া রাসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহিওয়াসাল্লাম) অসন্তুষ্টির সহিত বলিলেন-তোমরা হাসিতেছ অথচ তোমাদের পিছনে রহিয়াছে জাহান্নাম। ভবিষ্যতে যেন তোমাদেরকে হাসিতে না দেখি। 

এই 'কথা বলিয়া তিনি চলিয়াগেলেন। অতঃপর হঠাৎ করিয়া তিনি ফিরিয়া আসিয়া বলিলেনঃ এখনই জিবরাইল (আঃপয়গাম লইয়া আসিয়াছেন যেআল্লাহ পাক বলেনঃ "আপনি আমার বান্দাগণকে আমার রহমত হইতে নিরাশ করিয়া দিয়াছেন। তাহাদেরকে আপনি বলিয়া দিন যেআমি ক্ষমাশীল দয়াশীল এবং আমার শাস্তিও মর্মন্তুদ।


চারটি বিষয় কসম করিয়া বলা যায়—


হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু হযরত আব্দুর রহমান রাদিআল্লাহুআনহুকে বলেন যেতিনটি বিষয় কসম করিয়া বলা যায়। আর চতুর্থ বিষয়ে যদি আপনিকসম করেনতাহা হইলে আমি আপনার কসমের সত্যতার সাক্ষ্য দিব।


(আল্লাহ যাহাকে দুনিয়াতে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করিবেনকিয়ামতের দিনও তাহাকেই বন্ধুহিসাবে গ্রহণ করিবেনঅন্যকে নহে।


(অমুসলিমদের সাথে আল্লাহ পাক যে ব্যবহার করিবেনমুসলমানদের সাথে অবশ্যইতদ্রুপ ব্যবহার করিবেন না। (মুসলমান যতই দুর্বল ঈমান ওয়ালা হউক না কেন?)


(যে ব্যক্তি জাগতিক জীবনে যাহাকে ভালবাসিবে কিয়ামতের ময়দানে সে তাহারই সাথেথাকিবে।


(আল্লাহ পাক ইহজগতে যাহার আয়েব ঢাকিয়া রাখিবেন। কেয়ামতের দিন অবশ্যই তাহাঢাকিয়া রাখিবেন।


শাফায়াত গোনাহগারদের জন্য হইবে—

হযরত জাবের রাদিআল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিতরাসুলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহিওয়াসাল্লাম) বলেনঃ আমার শাফায়াত উম্মতের মধ্যে গোনাহগার ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত।যে ব্যক্তি শাফায়াতের কথা অস্বীকার করিবে সে আমার শাফায়াত হইতে বঞ্চিত থাকিবে।


শিক্ষামূলক একটি ঘটনা—


হযরত জিবরাইল (আঃরাসূলুল্লাহ (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)কেএকটি ঘটনা বর্ণনা করিলেন যেএক ব্যক্তি পাঁচশত বৎসর পর্যন্ত পাহাড়ের শৃঙ্গে ইবাদতকরিতেছিল। পাহাড়ের চতুষ্পার্শ্বে লবণাক্ত পানি ছিল। আল্লাহ পাক তাহার জন্য পাহাড়েরমধ্যে মিঠা পানির একটি ছোট প্রস্রবন প্রবাহিত করিলেন। আর একটি ডালিম গাছ উদগতকরিলেন। লোকটি প্রতিদিন ডালিম খাইত আর মিঠা পানি পান করিত এবং তাহা দ্বারা অজুকরিত। একদিন সে আল্লাহর কাছে দোয়া করিল- 'হে আল্লহআমার প্রাণ যেন সিজদা করাঅবস্থায় বাহির হয়আল্লাহ পাক তাহার দোয়া কবুল করিলেন। হযরত জিবরাইল (আঃবলেনআমরা আসমান থেকে উঠানামা করার সময় তাহাকে সিজদারত অবস্থায় দেখিতেপাইতাম। জিবরাইল (আঃআরও বলেন যেকেয়ামতের দিন আল্লাহ পাক তাহার সমন্ধে বলিবেন আমার রহমতে আমার এই বান্দাকে বেহেশতে প্রবিষ্ট কর। কিন্তু সে ব্যক্তি বলিবেনাবরং আমাকে স্বীয় আমলের বিনিময়ে বেহেশতে প্রবিষ্ট করুন।

আল্লাহ পাক ফিরিশতাদের নির্দেশ দিবেনঃ আমার প্রদত্ত নিয়ামত সমূহকে এই বান্দারআমলের সাথে তুলনামূলক পরিমাপ কর। পরিমাপ করার পর দেখা যাইবে যেতাহারপাঁচশত বৎসরের ইবাদত শুধু দৃষ্টিশক্তির বিনিময়ে শেষ হইয়া যাইবে আর আল্লাহরনেয়ামতের শেষ নাই। অতঃপরতাহাকে দোযখের দিকে লইয়া যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হইবে।ফিরিশতাগণ তাহাকে দোযখের দিকে লইয়া চলিবে। কিছু দূর যাওয়ার পর বান্দা আবেদনকরিবে যেহে আল্লাহআমাকে আপনার অনুগ্রহ  মেহেরবানীতে বেহেশতে প্রবিষ্ট করুন।তখন তাহাকে ফিরাইয়া আনার হুকুম হইবে। অতঃপর তাহাকে আল্লাহ পাকের সামনে দাঁড়করাইয়া কতগুলি প্রশ্ন করা হইবে। যেমনঃ 

প্রশ্নঃ হে বান্দাতোমাকে কে সৃষ্টি করিয়াছেন

উত্তরঃ হে আল্লাহআপনি আমাকে সৃষ্টি করিয়াছেন। 


প্রশ্নঃ তোমার সৃষ্টি তোমার আমলের বিনিময়ে হইয়াছেনা আমার রহমতে হইয়াছে?

উত্তরঃ আপনার রহমতে হইয়াছে।


প্রশ্নঃ পাঁচশত বৎসর ইবাদত করার শক্তি  তৌফিক তোমাকে দান করিয়াছে কে?

উত্তরঃ হে মহান রবআপনি দান করিয়াছেন। 


প্রশ্নঃ সমুদ্রের মধ্যে অবস্থিত পর্বতে তোমাকে পৌছাইয়াছে কেলবণাক্ত পানির মধ্যেমিঠাপানির প্রস্রবন কে প্রবাহিত করিয়াছেডালিম গাছ কে উদগত করিয়াছেতোমারআবেদন মোতাবেক সিজদা অবস্থায় তোমার মৃত্যু কে দিয়াছে?

উত্তরঃ হে মহান রাব্বুল আলামীনএই সব কিছু আপনি করিয়াছেন। 


অতঃপর আল্লাহ পাক বলিবেন যেএই সব কিছু আমার রহমতে হইয়াছে। আর আমি স্বীয়রহমতেই তোমাকে বেহেশতে প্রবিষ্ট করিব।


সুসংবাদ— 

মৃত্যুকালে যাহার অন্তরে আশা এবং ভয় উভয় একত্রিত হয় আল্লাহ পাক তাহার আশাঅনুযায়ী কাংক্ষিত বিষয় দান করেন এবং তাহার ভয় দূর করেন।


মূল্যবান উক্তি—

হযরত ইবনে মাসউদ রাদিআল্লাহু আনহু বলেনকিয়ামতের দিবসে আল্লাহ পাকেরসীমাহীন রহমতের জোয়ার দেখিয়া অবস্থা এমন হইবে যেশয়তান পর্যন্ত আল্লাহর রহমতলাভের এবং মুক্তি পাওয়ার আশা করিবে। 


ফুযায়ল বিন আয়ায রহমাতুল্লাহি আলাইহি বলেন যেসুস্থ অবস্থায় (অসুস্থতারভয় থাকাভাল। যাহাতে অধিক আমল করার জন্য চেষ্টা করিতে পারে এবং অসুস্থতা  দুর্বলতায়সুস্থতার আশা থাকা ভাল যাহাতে নিরাশ না হইয়া পড়ে।


আল্লাহর ক্ষমা প্রদর্শনের বিষ্ময়কর ঘটনা—

আহমদ বিন সুহায়ল বলেন আমি স্বপ্নে ইয়াহইয়া আকতাম-এর সাক্ষাৎ লাভ করিয়াছি।তাহাকে জিজ্ঞাসা করিলাম যেআল্লাহ পাক আপনার সাথে কিরূপ ব্যবহার করিয়াছেনতিনি বলিলেনআল্লাহ পাক আমাকে বলিলেন যেহে শায়খতুমি তো অনেক কাজকরিয়াছআমি বলিলামহে রবএই সম্পর্কে আমি এখন আপনার সাথে কোনরূপআলোচনা করিবনা। আল্লাহ পাক বলিলেনতাহা হইলে কি সম্পর্কে আলোচনা করিবেআমি বলিলাম যেআমাকে আব্দুর রায্যাক আর আব্দুর রায্যাককে যুহরীএবং তাহাকেহযরত আরওয়া আর তাহাকে হযরত আয়েশা রাদিআল্লাহু আনহা এবং হযরত আয়েশারাদিআল্লাহু আনহাকে নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) আর নবীকরীম (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)-কে হযরত জিবরাইল (আঃবর্ণনাকরিয়াছেন যেআপনি বিলয়াছেনআমি কোন বৃদ্ধলোককে আযাব দিতে ইচ্ছা করিলেওবার্ধক্যের দিকে খেয়াল করিয়া তাহাকে আযাব প্রদান করিতে লজ্জা বোধ করি। "হে প্রভুআমি তো অতিশয় বৃদ্ধ।আল্লাহ পাক বলেন যেতাহারা (বর্ণনাকারীগণসকলেই সত্যবলিয়াছেন। প্রকৃত পক্ষে ব্যাপার এইরূপই যাহা তাহারা বর্ণনা করিয়াছেন। হযরত ইয়াহইয়াবলেন যেঅতঃপর আমার জন্য বেহেশতের ফয়সালা করা হইয়াছে।


পরিপূর্ণ উপদেশ

একদা হযরত ওমর রাদিআল্লাহু আনহু নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এরখেদমতে উপস্থিত হইয়া দেখেন যেহুজুর (সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম)কাঁদিতেছেন। হযরত ওমর রাদিআল্লাহু আনহু ক্রন্দনের কারণ জানিতে চাহিলে নবী করীম(সল্লল্লাহু আলাইহে ওয়াআলিহি ওয়াসাল্লাম) বলেনআমার কাছে জিবরাইল (আঃআসিয়া বলিয়াছেন যেআল্লাহ পাক বৃদ্ধ লোকদিগকে তাহাদের বার্ধ্যকের খাতিরে আযাবপ্রদান করিতে লজ্জা বোধ করেন। তাহা হইলে বৃদ্ধ লোকেরা আল্লাহ পাকের নাফরমানীকরিতে কেন লজ্জা বোধ করে নাআল্লাহ পাকের এই অসাধারণ পুরস্কার  সম্মান প্রদানেরবিনিময়ে মুসলমানগণ আল্লাহ পাকের সীমাহীন শুকরিয়া আদায় করা এবং তাহার প্রশংসায়পঞ্চমুখ থাকা উচিত। আর তাহাদের আল্লাহ পাকের কাছে এবং কেরামান কাতেবীন নামকফিরিশতা দ্বয়ের কাছে লজ্জা বোধ করা এবং সর্ব প্রকার গোনাহ হইতে সম্পূর্ণরূপে বাঁচিয়াথাকা কর্তব্য। কারণ মৃত্যু কখন আসে তাহা কেহই বলিতে পারেনা। বিশেষ করিয়া বৃদ্ধ বয়সেতো অবশ্যই লজ্জা বোধ করা উচিত। কেননা শস্যক্ষেত্রের শস্যযখন পাকিয়া যায় তখনতাহা সাথে সাথেই কাটিয়া লওয়া হয়। শৈশবকালে যৌবনেরযৌবনকালে বার্ধক্যের আশাথাকে। কিন্তু বার্ধক্য আসিয়া গেলে মৃত্যু ব্যতিত.. আর আশা করা যাইতে পারে কি?


আল্লাহ পাকের আরশের ছায়া সাত প্রকারের লোকের উপর পতিত হইবে—


কিয়ামতের দিন আল্লাহ পাকের আরশের ছায়া ব্যতীত অন্য কোন জিনিসের ছায়া থাকিবেনা। তখন আল্লাহ পাক সাত প্রকার লোককে স্বীয় আরশের নীচে ছায়া প্রদান করিবেন।

(সুবিচারক বা ন্যায় পরায়ন বাদশাহ।

(যৌবনকালে আল্লাহর ইবাদতে মশগুল ব্যক্তি। (প্রত্যেকের ইবাদতই 'আল্লাহর কাছেপছন্দনীয় কিন্তু যৌবন কালের ইবাদত সর্বাধিক পছন্দনীয়)

(এমন ব্যক্তি যাহার অন্তর সর্বদা মসজিদের সাথে লটকাইয়া থাকে। (অর্থাৎ সর্বদা সেনামাযের অপেক্ষায় থাকে)

(এমন দুই ব্যক্তি যাহারা শুধু আল্লাহর ওয়াস্তে অপরকে ভালবাসে।

(এমন ব্যক্তি যে নির্জনে আল্লাহ পাকের স্মরণ করিয়া ক্রন্দন করে।

(যে ব্যক্তি এত গোপনে দান করে যেতাহার নিজেরও জানা থাকে না যে কত দানকরিয়াছে।

(যাহাকে পরমা সুন্দরী যুবতী অবৈধ কার্যের দিকে আহবান করেসে এই বলিয়া কাটিয়াপড়ে যেআমি আল্লাহকে ভয় করি।


দোয়াঃ 

হে আল্লাহসমস্ত মুসলমানদিগকে এবং তাহাদের তোফায়েলে এই গোনাহগারকেউল্লিখিত গুণাবলী দ্বারা সুশোভিত করিয়া আপনার আরশের ছায়ার নীচে স্থান পাওয়ারতৌফিক দান করুনআমীন!


পরবর্তী পর্ব

সৎকার্যের আদেশ  অসৎ কার্যের নিষেধ




Comments

Popular posts from this blog

কারামত - (আনা সাগরের পানি ছোট্ট পাত্রে চলে আসার রহস্য)

প্রকৃত সাধক তার উপযুক্ত মুরীদকেই সাজ্জাদানশীল করেন

মে’'রাজ (পর্ব- ১)